শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৪

রসায়ন পড়া শুরুর প্রাথমিক কিছু যোগ্যতা/জ্ঞান

 রসায়ণ পড়ার পূর্বে যা যানা দরকার,

পদার্থঃ

মৌলিক পদার্থ

যৌগিক পদার্থঃ

মিশ্র পদার্থঃ

ভৌত পরিবর্তনঃ

রাসায়নিক পরিবর্তনঃ

মিশ্রণঃ

সমসত্ত্ব মিশ্রণঃ

অসমসত্ত্ব মিশ্রণঃ

গলনাংকঃ

স্ফ ুটনাংকঃ

তাপঃ

তাপমাত্রাঃ

অনুঃ

পরমানুঃ

ইলেকট্রনঃ

পারমানবিক সংখ্যাঃ

এখন শুরু করি বই হতে...

বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৪

পদার্থ কী? মৌলিক ও যৌগীক পদার্থ বলতে কি বুঝি? মিশ্র পদার্থ কী? ধাতু, অধাতু ব্যাখ্যা করি

 

    আমাদের চারপাশে যা কিছু দেখি বা ছুঁইতে পারি সবই পদার্থ। কোনটি তরল(পানি,তেল,শরবত), কোনটি বায়বীয়(বাতাস,অক্সিজেন, জলীয়বাস্প), কোনটি আবার কঠিন(কাঠ, লোহা)। 

>>> যেসকল পদার্থ একাধিক ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের রাসায়নিক সংযুক্তিতে তেরী তা-ই যৌগীক পদার্থ। যেমনঃ পানি, পানি হল অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন গ্যাসের রাসায়নিক সংযুক্তি।

>>> অপরদিকে যে সকল পদার্থে অন্য ভিন্ন পদার্থের অস্তিত্ব থাকে না, তা-ই মৌলিক পদার্থ। যেমনঃ হাইড্রোজেন, লোহা, তামা ইত্যাদি।


    পৃথিবীতে মৌলিক পদার্থের সংখ্যা সীমিত। তবে যৌগীক পদার্থের সংখ্যা অগণিত।

আবার যদি পানি ও চিনি মিশিয়ে শরবত তৈরি করা হয়, তবে শরবত হবে মিশ্রপদার্থ।

যেমনঃ বাতাস একটি মিশ্র পদার্থ। বাতাসে অক্সিজেন, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেন ইত্যাদি গ্যাস থাকে মিশ্রিত অবস্থায়। উহাদের মধ্যে কোন রাসায়নিক সংযোগ নেই। তাই বাতাস একটি মিশ্র পদার্থ।


ধাতুঃ 

অধাতুঃ


বাইনারি পদ্ধতিতে গণনা শিখি

 



(ক) বাইনারি পদ্ধতিতে গণনা শিখি,


  বাইনারি পদ্ধতিতে অংক হল দু'টি,   ০ (শূন্য),  ১ (এক).
  বাইনারি পদ্ধতির ভিত্তি হল দুই।


এখন নিচের টেবিলে দেখি কীভাবে এক হতে পাঁচ পর্যন্ত লিখলাম !
6432168421=Value
0000000=0
0000001=1
0000010=2
0000011=3
0000100=4
0000101=5
উপরের টেবিলে প্রথম সারিতে কিছু মান রাখা আছে,দ্বিতীয় সারিতে সবই শূন্য়,তৃতীয় সারিতে "=" চিহ্নের বামে এক এবং ভ্যালুও এক। দেখা যাচ্ছে প্রথম সারি এক এর বরাবর "=" চিহ্নের বামের এক!আবার দেখি চতুর্থ সারিতে "=" চিহ্নের বামে এক একবার এবং ভ্যালু দুই। দেখা যাচ্ছে প্রথম সারি দুই এর বরাবর "=" চিহ্নের বামের এক!পঞ্চম সারিতো "=" চিহ্নের বামে  দুইটি এক এবং ভ্যালু তিন। দেখা যাচ্ছে প্রথম সারি এক এর বরাবর এক ও দুই এর বরাবর  এক  ("=" চিহ্নের বামে)। সুতরাং উপরের দুই ও এক যোগ হয়ে ভ্যালু তিন হয়েছে।
এখন আবার নিচের টেবিল নিয়ে একটু গবেষণা করি!
6432168421=Value
0000000=0
0000001=1
0000010=2
0000011=3
0000100=4
0000101=5
0000110=6
0000111=7
0001000=8
0001001=9
0001010=10
0001011=11
0001100=12
0010000=17
0010100=20
0100011=35

এভাবেই আমরা বাইনারিতে গণণা করতে পারি ।
ধন্যাবাদ

রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৪

পাঠ পরিকল্পনা বা সেশন প্লানঃ তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক



 পাঠ পরিকল্পনা ঃ শিখন-শেখানো কার্যক্রম শুরু করার পূর্বে শিক্ষক কোন পদ্ধতিতে, কোন কৌশলে,  কোন উপকরন সহযোগে, কত সময়ে পাঠদান করবেন, তার পূর্ব নির্ধারিত পরিকল্পনাই হলো পাঠ পরিকল্পনা। 


নিচে একটি নমুনা পাঠ পরিকল্পনা দেয়া হলঃ



 পাঠ পরিকল্পনা করে পড়ালে যে সুবিধা গুলো পাই,


১. শিক্ষকের পরিশ্রম কম হয়।

২. শিখন স্থায়ী হয়।

৩. সময়ের মধ্যেই পাঠদান সম্পন্ন হয়।

৪. শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পায়।


ওয়ার্ড ও পাওয়ার পয়েন্টে শেপ এর কাজ।

 ওয়ার্ড ও পাওয়ার পয়েন্টে শেপ এর কাজঃ


কীভাবে শেপ আনবো?

উত্তরঃ ওয়ার্ড বা পাওয়ার পয়েন্ট ওপেন করে উপরের রিবনে INSERT  ক্লিক করলে এই রকম চিত্র দেখা যাবে।


এখন ঐ  Shapes এ ক্লিক করলে নিম্মের মতো চিত্র আসবে।


এখন এ স্থান হতে ইচ্ছে মতো শেপ নিয়ে কাজ করা যাবে। 




ধন্যবাদ।

মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

পাইথনে'র বাক্স বা ভেরিয়েবল

 বাক্স বলতে বুঝি কোন কিছু রাখার স্থান। হতে পারে সাপের বাক্স, মিষ্টির বা গহনার। কাজেই প্রোগ্রামিং এর ভাষায় এই  বাক্স বা কোন কিছু রাখার এলাকা বা বাক্সের নাম হল ভেরিয়েবল। 

আরও একটু গুছিয়ে বললে, কম্পিউটার মেমোরিতে কোন স্থান নির্ধারন করে ঐ স্থানের কোন নামকরণ করলে তাকে বলি ভেরিয়েবলেন নাম। যদি সেখানে কিছু রাখা হয়, তবে সেটাকে বলি ভেরিয়েবলের মান। 

যেমনঃ ধরি কোন একটি খালি গহনার বাক্স। সুতরাং "বাক্স" হল ভেরিয়েবল। সেখানে কানের দুল রাখা আছে, সুতরাং "কানের দুল" হল ভেরিয়েবলের মান। আর "গহনা" হলে ভেরিয়েবল টাইপ অর্থাৎ, কি ধরনের বস্তু সেখানে রাখা আছে, তাহা বোঝায় ।

চিত্র দেখি ও বুঝিঃ 



এখানে , ১নং লাইনে  y এর মান 20, এবার y কে প্রিন্ট ফাংশনের মধ্যে দিয়ে চালিত করলে রেজাল্ট আসলো 20. এখানে  y  হল ভেরিয়েবলের নাম,  20  হল ভেরিয়েবলের মান। 

              ৪নং লাইনে  m_2 হল ভেরিয়েবলের নাম,   int    হলো ভেরিয়েবলের টাইপ,  int    দ্বারা পূর্নসংখ্যা বোঝায়, আর ভেরিয়েবলের মান হল  5   

                    ১০ নং লাইনে  str  হল ভেরিয়েবল টাইপ। এর মাধ্যমে অক্ষর বোঝায়।

 



পাইথনে প্রথম কোডঃ "শুভেচ্ছা বার্তা" "Welcome"

পাইথনে শুভেচ্ছা বার্তা প্রকাশ করতে বা দেখতে হলে,

    ১) প্রথমে কী-বোর্ড হতে  Windows+R, cmd  লিখে   Enter. অতপর টাইপ করতে হবে,  python --version    অথবা  py --version লিখে  Enter. তাহলে পাইথন ইনস্টলেশন অবস্থা  ও তার ভার্সন দেখতে পাবে।





    ২) এখন থনি ওপেন করবোঃ 



উপরের মতো করে কোড লিখে রান করাবো। ব্যাস আউটপুট দেখতে পাচ্ছি।

এবার একটু ব্যাখ্যা করি,

উপরে  print()  হলো একটি ফাংশন। যার ভিতরে কিছু দিলে তা ডিস্প্লেতে দেখা যাবে। যেমন "" এর ভিতরে আমরা Welcome লিখেছি। নিচে দেখতে পাচ্ছি। 

এই print() এর নাম হলো প্রিন্ট ফাংশন। তাহলে বুঝতে পারলাম ফাংশন হলো একটা শর্তে মতো কিছু যার মাধ্যমে নির্ধারিত কাজ করা যায়। 
অন্যভাবে বলা যায়, একটি সুবিন্যস্ত কোড সমষ্টি যার মাধ্যমে নিদ্দিষ্ট কাজ করা যায়, তা-ই ফাংশন।

পাইথনে অনেক ফাংশন আছে যেমনঃ ইনপুট দেওয়ার ফাংশন, নিজের তৈরি ফাংশন ইত্যাদি যা শিঘ্রই শিখবো। 





সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

৮ম শ্রেণির পাঠঃ পাইথন এর পরিবেশ তৈরী করে কম্পিউটারে কাজ শুরু করা

     পাইথন, নাম শুনলেই মনে হয় বিশাল অজগর! কিন্তু না! আমরা আমাদের কম্পিউটারের মাধ্যমে নতুন কিছু তৈরী করা শিখবো এই পাইথনের মাধ্যমে। 

     এটা হল একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। যার মাধ্যমে কোডিং করে অনেক গাণিতিক সমস্যা সমাধান করা যায়। ক্যালকুলেটর তৈরী করা, অংক কষা ও আরও কতো কী?

    পাইথন হল বস্তু-সংশ্লিষ্ট উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা। ১৯৯১ সালে প্রথম এটি প্রকাশ্যে আসে। এর উদ্ভাবক হলেন গিডো ভান রসম।


    যাই হোক আমরা ৮ম শ্রেণিতে ধাপে ধাপে পাইথন শিখবো। প্রয়োজনে ভিডিও দেখে দেখে! কতো মজা ! তাই কি?



শুরু করা যাকঃ


প্রথমে আমাদের কম্পিউটারে পাইথন ইনস্টল করতে হবে,

ধাপ-১ঃ বিশ্বস্থ সোর্স (https://www.python.org/) হতে পাইথন এর সেটআপ ফাইল ডাউনলোড করা।
ধাপ-২ঃ ফাইলটি-তে ডাবল ক্লিক করে সেট-আপ করা/ ইনস্টল করা।
এখন তো ইনস্টল হয়ে গেল! কাজ করবো কীভাবে? মনে রাখতে হবে পাইথন কীভাবে কাজ করছে তা দেখার জন্য অন্য একটি পরিবেশ দরকার, তোমাদের পাঠ্য বইয়ে আছে । একটি বিশেষ পরিবেশের মাধ্যমে আমরা পাইথনের ফলাফল দেখতে পারি, এর নাম হল থনি। এটা ছাড়া আরও অন্য পরিবেশও আছে। 

পূর্বের মতো থনি ডাউনলোড করা সম্পন্ন করিঃ

ধাপ-১ঃ বিশ্বস্থ সোর্স (https://thonny.org/)  হতে থনি(Thonny) এর সেটআপ ফাইল ডাউনলোড করা।
ধাপ-২ঃ ফাইলটি-তে ডাবল ক্লিক করে সেট-আপ করা/ ইনস্টল করা।
--

ব্যাস কাজ সম্পন্ন হলো। 

এবার হবে মজার খেলা শুরু!






বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২০

নবম-দশম শ্রেণি, অধ্যায়ঃপ্রথম, বাস্তব সংখ্যা, পাঠ: বাস্তব সংখ্যা'র শ্রেণি বিন্যাস।

 
সংখ্যা রেখা
সংখ্যা রেখা



বাস্তব সংখ্যা:  সংখ্যারেখার উপর যতগুলো সংখ্যা স্থাপন করা যায় তা-ই বাস্তব সংখ্যা।

সংখ্যা রেখার দুইটি পূর্ণ সংখ্যার মাঝে অসংখ্য সংখ্যা থাকতে পারে, কিন্তু তারা পূর্ণ সংখ্যা নয়। কখনও তারা সাধারন ভগ্নাংশ, আবার কখনও দশমিক ভগ্নাংশ আকারে থাকে।
যেমনঃ
০ ও ১ এর মাঝে বিভিন্ন সংখ্যা সমূহ।


স্বাভাবিক সংখ্যা বা Natural Number ঃ সকল ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যা সমূহ কে স্বাভাবিক সংখ্যা বলা হয়। একে  N দ্বারা প্রকাশ করা হয়।  যেমনঃ N={১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,..............অসীম পর্যন্ত}
পূর্ণ সংখ্যাঃ শূন্য সহ সকল ধনাত্মক ও ঋনাত্মক অখন্ড সংখ্যা সমূহকে পূর্ণ সংখ্যা বলা হয়।
ভগ্নাংশ সংখ্যাঃ p,q পরস্পর সহমৌলিক, p,q  পূর্ণ সংখ্যা , q≠০  এবং  q≠১ হলে
আকারের সংখ্যাকে ভগ্নাংশ বলা হয়।


মূলদ সংখ্যাঃ  p,q  পূর্ণ সংখ্যা , q≠০   হলে
আকারের সংখ্যাকে মুলদ সংখ্যা বলা হয়।


অমূলদ সংখ্যাঃ যে সংখ্যাকে
আকারে প্রকাশ করা যায় না, তাদের অমূলদ সংখ্যা বলে। অর্থাৎ যে সংখ্যাকে দুইটি পূ্র্ণ সংখ্যার অনুপাত


হিসেবে প্রকাশ করা যায় না, তারাই অমূলদ সংখ্যা। অন্যভাবে বলা যায়, বর্গ সংখ্যা নয়, এরূপ সংখ্যার বর্গমূলই অমূলদ সংখ্যা।

ধনাত্মক সংখ্যাঃ শূন্য অপেক্ষা বড় সকল বাস্তব সংখ্যাকে ধনাত্মক সংখ্যা বলে।
ঋনাত্মক সংখ্যাঃ শূন্য অপেক্ষা ছোট সকল বাস্তব সংখ্যাকে ঋনাত্মক সংখ্যা বলে।
অঋনাত্মক সংখ্যাঃ শূন্য সহ সকল ধনাত্মক সংখ্যাকে অঋনাত্মক সংখ্যা বলে।


মৌলিক সংখ্যাঃ যে সংখ্যার ১ ও সে ব্যতীত অন্য কোন উৎপাদক নেই , তা-ই মৌলিক সংখ্যা। যেমনঃ ৫,১১,১৭ ইত্যাদি।

১ মৌলিক সংখ্যা নয়।

অমৌলিক সংখ্যাঃ ১ ও মৌলিক সংখ্যা ব্যতীত সকল সংখ্যাই অমৌলিক সংখ্যা। যেমনঃ ১২, ৪, ১৫৪ ইত্যাদি ।

প্রকৃত ভগ্নাংশঃ যে ভগ্নাংশের হর বড়, কিন্তু লব ছোট, তাকে বলা হয় প্রকৃত ভগ্নাংশ।
অপ্রকৃত ভগ্নাংশঃ যে ভগ্নাংশের হর ছোট, কিন্তু লব বড়, তাকে বলা হয় অপ্রকৃত ভগ্নাংশ।
মিশ্র ভগ্নাংশঃ অপ্রকৃত ভগ্নাংশের একটি রূপ হল মিশ্র ভগ্নাংশ।


দশমিক ভগ্নাংশঃ দশমিক চিহ্ন(.) ব্যবহার করে যে ভগ্নাংশ লেখা হয় , তা-ই দশমিক ভগ্নাংশ।
সসীম দশমিক ভগ্নাংশঃ যে দশমিক ভগ্নাংশের সীমা আছে, তা-ই সসীম দশমিক ভগ্নাংশ।
অসীম দশমিক ভগ্নাংশঃ যে দশমিক ভগ্নাংশের সীমা নেই, তা-ই অসীম দশমিক ভগ্নাংশ।

অসীম আবৃত্ত দশমিক ভগ্নাংশঃ যে দশমিক ভগ্নাংশকে  বিশেষ পদ্ধতিতে আবদ্ধ করে প্রকাশ করা যায় অসীম  আবৃত্ত দশমিক ভগ্নাংশ। এক্ষেত্রে একটি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এর নাম "পৌঁনপুনিক বিন্দু"।

অসীম অনাবৃ্ত্ত দশমিক সংখ্যাঃ যে সংখ্যা সমূহের ক্ষেত্রে দশমিক বিন্দুর পর অংকের শেষ থাকে না, তা-ই  অসীম অনাবৃত্ত দশমিক সংখ্যা। বর্গসংখ্যা নয়, এরূপ সংখ্যার বর্গমূল হলো, অসীম অনাবৃ্ত্ত দশমিক সংখ্যা।


ধন্যবাদ